1. admin@voicectg.com : admin :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ০৫:০০ অপরাহ্ন

ফের চাঙ্গা টেকনাফে ইয়াবার হাট,বেশ ফুরফুরে মেজাজে মাদক কারবারিরা।

অনুসন্ধানী রিপোর্ট , সম্পাদক,ভয়েস সিটিজি
  • প্রকাশিত : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১৫০ বার পড়া হয়েছে

ভয়েস সিটিজি
সম্পাদক
অনুসন্ধানী রিপোর্ট
রোববার-০৬-০৯-২০২০
ফের চাঙ্গা টেকনাফে ইয়াবার হাট,বেশ ফুরফুরে মেজাজেই আছেন পুরানো মাদক কারবারিরা।
দেশে হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে,মায়ানমার থেকে টেকনাফ হয়ে আসা মরনব্যাধী নেশা ইয়াবার চালান।
এই মরননেশার কবলে পড়ে,ভেঙে গেছে কতো স্বপ্ন,
ঝড়ে গেছে কতো মুকুল,নিষ্পেষিত কতো প্রান,
ধ্বংস হয়েছে হাজারো পরিবার,হুমকির মুখে আগামী যুবসম্পদ,রাষ্ট্র হারিয়েছে বিপুল অংকের অর্থ।দিন দিন বাড়ছে সামাজিক অবক্ষয়।
তবুও কেনো যানি আমরা একটা মানবতার কথাই বলছি।
এই মুহূর্তে ইয়াবার লাগাম টেনে ধরতে না পারলে,সহসাই চরম মুল্যে গুনতে হবে জাতি তথা রাষ্ট্রকে
কক্সবাজারের স্হানীয় বাসিন্দা অনেকের সাথে আলাপ করে যানা গেছে,
সিমান্তে বিজিবি ও ইদানিং পুলিশি নিষ্ক্রিয়তায় বেশি অতিমাত্রায় আসছে ইয়াবা।
বিশেষ করে গত ৩১ জুলাই টেকনাফ বাহারছড়া মেরিন ড্রাইভ রোডে পুলিশ চেকপোস্টে পুলিশের গুলীতে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহত হওয়ার ঘটনায়।
টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপসহ,উখিয়া,চকরিয়া থানার ওসি ও কক্সবাজার চট্টগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা হওয়া শুরু হলে,
ঝিমিয়ে পড়ে দৃশ্যমান পুলিশি তৎপরতা। এ সুযোগ লুফে নেন মাদক চোরাকারবারিরা।
প্রতিদিন সিমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে কক্সবাজারে প্রবেশ করছে।লক্ষ লক্ষ পিস ইয়াবা।
যদিও আগষ্ট মাসে স্মরন কালের সবচেয়ে বড় চালানসহ বেশ কিছু চালানে শতকোটি টাকার ইয়াবা আটক করতে সক্ষম হন,র‍্যাব ১৫ কক্সবাজার টিম
ভয়েস সিটিজির এক অনুসন্ধানে উঠে আসে ইয়াবা পাচারে হরেক রকমের কৌশল।
কক্সবাজার থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ইয়াবা পাচারে জ্যামিতিক হারে বাড়ছে রোহিঙ্গাদের ব্যাবহার।
অল্প পরিশ্রমে বেশি টাকা আয়ের লোভে রোহিঙ্গা নারী পুরুষরা ইয়াবা পাচারে ঝুকছে দিন দিন।কেউ কেউ আবার জেনে শুনে ঝুকছে এ পেশায়।
অনেকের দারিদ্র্যতার সুযোগ নিয়ে ক্যাম্পের মাঝিদের মাধ্যমে প্রলুব্ধ হয়ে আসছে এ পেশায়। মাদক কারবারিদের ফাঁদে পা দিয়ে ক্যাম্পেই হচ্ছে ইয়াবার বডি ফিটিং। এরপর নিত্যনতুন কৌশলে কক্সবাজার থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাটানো হচ্ছে তাদের ইয়াবার চালান।
অধিকাংশ পাচারে সুন্দরী রোহিঙ্গা নারীরাই বেশি বডি ফিটিং পদ্ধতি ব্যাবহার করে।
অন্যদিকে জানা যায়,ক্যাম্পে স্থাপিত বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নারী রোগীরা উন্নত চিকিৎসার কথা বলে চট্টগ্রাম মেডিকেলে আসার সময় এনজিওদের এম্বুলেন্সে করেও বড় মাপের ইয়াবার চালান নিয়ে আসে।
ইয়াবা পাচারে রোহিঙ্গা হলে সুবিধা ?
১/রোহিঙ্গাদের অল্প টাকায় পাচার কাজে সহজে ব্যাবহার করা যায়।
প্রতি হাজার ইয়াবা পাচারে দশ হাজার টাকা নিদিষ্ট থাকলেও।
রোহিঙ্গাদের দিয়ে দশ হাজার টাকায় বড় মাপের চালান পাটানো যায়
২/ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের বাসায় আমদানিকৃত ইয়াবা ১০০% নিরাপদে মজুদ ও রপ্তানিতে বডি ফিটিং করে ক্যাম্প থেকে সহজে চালান নিয়ে বাইরে চলে যাওয়া যায়।
৩/পাচারের সময় ইয়াবাসহ রোহিঙ্গারা কোথাও গ্রেপ্তার হলে,দেশীয় আমদানি রপ্তানিকারকদের সমপর্কে সঠিক নাম ঠিকানাসহ তেমন একটা তথ্য দিতে পারেনা।
ফলে বাহক গ্রেপ্তার হলেও দেশীয় মুল হোতারা রয়ে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।
এবিষয়ে চট্টগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মোঃ রাশেদুজ্জামান বলেন,ইয়াবা পাচার বিগত যেকোনো সময়ের চেয়ে অতিমাত্রায় বেড়েছে,সাম্প্রতিক সময়ে এধরনের বেশ কিছু চালান আটক করা হয়েছে, পাচারে ধৃতদের অধিকাংশেরই রোহিঙ্গা নাগরিক।
এবিষয়ে পাঠকদের জন্য
ধারাবহিক প্রতিবেদনের আগামী ২য় পর্বে থাকবে,
মাদক পাচারে গ্রেফতার রোহিঙ্গার সংখ্যা কত।
বর্তমানে কি পরিমান রোহিঙ্গা বন্দি ও দেশের কোন কোন কারাগারে আছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব