1. admin@voicectg.com : admin :
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন

এক নজরে, হযরতে ইমাম শেরে বাংলা শাহ (রহঃ)।

নিউজ ডেক্স
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৬৭ বার পড়া হয়েছে

ভয়েস সিটিজি
নিউজ ডেক্স
শনিবার-সেপ্টেম্বর-২৬-২০২০,

একনজরে হযরতে ইমাম শেরে বাংলা শাহ (রহঃ)।

আমাদের নতুন প্রজন্মের অনেকেই হয়ত জানেনা
হযরতে ইমাম শেরে বাংলা শাহ (রহঃ) এর কিছু বৃত্তান্তঃ।
=================================
আমাদের নতুন প্রজন্মের অনেকেই হয়ত জানেনা শেরে বাংলা (রহঃ) আসলে কে? আসুন আজ আমরা জেনে নেব উনার কিছু জীবনের বৃত্তান্ত।
উনার পূর্ণনাম আজিজুল হক্ব শেরে বাংলা শাহ (রহঃ)। উনার জন্মস্হান চট্রগ্রামের হাটহাজারী থানায়। বাংলাদেশের শ্রেষ্ট ব্যাক্তিত্বের মধ্যে একজন হলেন ঈমাম শেরে বাংলা শাহ (রহঃ)। তিনি ছিলেন একজন আশেকে রাসূল (ﷺ)বাংলাদেশের ইতিহাসে সুনালী অক্ষরে লেখা রয়েছে উনার নাম। তিনি ছিলেন একজন ধর্মীয় শরীয়তের বড় আলেম। এবং রাজনীতির সাথেও তিনি যুক্ত ছিলেন যেমন – মুসলিমলীগ সংগঠন। উনার জীবনী থেকে জানা যায় তিনি একজন খাঁটি আশেকে রাসূল(ﷺ)
ছিলেন বলে বাংলার অনেক মুনাফেক বাতেল উনার বিরুদ্ধে ভিবিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র করেছিল। অনেকবার বাতেলরা উনার উপর সরাসরী হামলা পর্যন্ত করেছিল এবং তিনি কয়েকবার শত্রুদের হামলায় গুরুতর আহত ও হয়েছিলেন।
কথিত আছে বাতেলেরা উনার বিরুদ্ধে কোর্ডে মিথ্যা মামলা দায়ের করতে করতে এক পর্যায়ে বাংলাদেশের উচ্ছ পর্যায়ের আদালতে ৪০০ টি মুকাদ্দমা (কেস) উনার বিরুদ্ধে জমা হয়েছিল।
এরপর একদিন সরাসরি কোর্ডের জর্জ সাহেব ব্যাক্তিগত ভাবে উনাকে ডেকে পাঠালেন এবং মামলাগুলো সম্পর্কে জানতে চাইলেন, অতপর জর্জ সাহেব শেরে বাংলা (রহঃ) এর বক্তব্য শুনে বল্লেন হুজুর আপনার বিরুদ্ধে ৪০০ টি মামলা করা হয়েছে, একেকটি মামলায় একজন করে উকিল দিলে আপনার ৪০০ জন উকিল লাগবে, উকিলের মাধ্যমে এতগুলো মামলার মুকাবেলা করা তো আপনার পক্ষে সম্ভব না, তো হুজুর আপনি এক কাজ করুন আপনি তো একজন জ্ঞানী সম্পন্ন শরীয়তের বড় আলেম, আর আপনার কথায় অনেক হিকমা রয়েছে, এবং আত্নবিশ্বাস রয়েছে, আপনি কোন উকিলের দারস্হ না হয়ে বরং আপনি নিজেই আদালতে দাড়িয়ে তাদের মামলার বিরুদ্ধে কথা বলবেন, জবান বন্দী দিবেন এবং আমরা তা সরাসরী গ্রহন করব। আর আমার বিশ্বাস আপনি অবশ্যই জিতবেন আপনার যে হিকমা এবং আত্ববিশ্বাস রয়েছে।
এরপর তারিখ অনুযায়ী একদিন শেরে বাংলা শাহ (রহঃ) এবং বিবাদীগণ (বাতেলরা) আদালতে উপস্হিত হলেন, এবং সবাই জর্জ সাহেবের জন্য অপেক্ষা করছিলেন, কিছুক্ষন পর জর্জ সাহেব এসে পড়লেন এবং জর্জ সাহেব আসার সাথে সাথে শেরে বাংলা (রহঃ) এর বিপক্ষের বিবাদীগণ (বাতেলরা) তাড়াতাড়ি দাড়িয়ে সবাই জর্জ সাহেবকে বড় করে সালাম দিলেন, অতপর শেরে বাংলা (রহঃ) তাদের সবাইকে চিৎকার করে বলে উঠলেন তোমরা এই গোলামটাকে কেন দাড়িয়ে সালাম দিলে? তোমরা এই গোলামটাকে কেন দাড়িয়ে সালম দিলে?
এরপর বাতেলরা সবাই মনে মনে খুশি হয়ে বলতে লাগল হা শেরে বাংলাকে আমরা উসকে দিয়েছি বিচার এবার আমরাই পাব।
অতপর জর্জ সাহেব কিছুক্ষন চুপ রইলেন এরপর আদালতের চেয়ারে গিয়ে বসলেন এবং বললেন হুজুর আমি আপনার জন্য এতকিছু করলাম আর আপনি এতগুলো মানুষের সামনে আমাকে এইভাবে অপমান করতে পারলেন। এরপর শেরে বাংলা শাহ (রহঃ) বললেন স্যার আপনি সত্যি করে বলেন তো আপনি কি আমার নবীজী (সঃ) এর গোলাম নও?
অতপর জর্জ সাহেব দু চোখের পানি ছেড়ে বলেন হুজুর নবীজী (ﷺ)এর গোলাম হওয়ার কোন যোগ্যতা তো আমার কাছে নেই, তারপরেও আপনার মত একজন বিশ্বস্ত আলেমের জবানে এই কথাটা শুনে নিজেকে ধন্য মনে করলাম।
এরপর শেরে বাংলা শাহ (রহঃ) বলেন স্যার এবার আপনিই বিচার করুন আপনি একজন নবীজী (ﷺ)এর গোলাম। আর নবীজী (ﷺ)এর একজন গোলামকে যদি (বাতেলরা) দাঁড়িয়ে সালাম দিতে পারে তাহলে আমি নবীজী ( ﷺ)কে দাঁড়িয়ে সালাম দিলে সমস্যা কোথায়? এটাই হল আমার অপরাধ, আমি নিজেই নবীজী (ﷺ)কে দাঁড়িয়ে সালাম দিই এবং অপরকেও এই ব্যাপারে উৎসাহিত করি, তাই তারা সাজিয়ে এতগুলো মিথ্যা মামলা আমার বিরুদ্ধে দায়ের করেছে।
অতপর জর্জ সাহেব তদন্ত করে জানতে পারলেন বিবাদিগণ (বাতেলরা) শেরে বাংলা (রহঃ) এর বিরুদ্ধে যতগুলো মামলা দায়ের করেছে সবগুলো মিথ্যা, বানোয়াট, সাজানো।
তারপর জর্জ সাহেব আদালতে উপস্হিত পুলিশ বাহিণীকে নির্দেশ দিলেন যে সমস্ত বিবাদিগণ (বাতেলরা) হুজুরের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে তাদেরকে একত্রিত করা হোক এবং একজনও যেন বাহিরে যেতে না পারে। তারপর সবাইকে একত্রিত করা হল এবং সবাইকে উচিৎ শিক্ষা দিয়ে কড়াভাবে বলা হল হুজুরেকে এই ধরনের হয়রানি যেন আর কখনে করা না হয়।

সুতরাং শেরে বাংলা শাহ (রহঃ) এমন একজন বাকশক্তি সম্পন্ন শরীয়তের আলেম ছিলেন যার কথার একটা পয়েন্টের সামনেও বাংলার কোন বাতেল-ফেরকা দাড়িয়ে কথা বলতে পারতনা।

অতপর ইমাম শেরে বাংলা শাহ (রহঃ) বাংলার মানুষকে চিনিয়ে দিয়েছিলেন কোনটা পানি আর কোনটা দূধ, অর্থাৎ কারা হক্ব এবং কারা বাতেল।
__সংগৃহীত
(হুজুরের কত সুন্দর নুরানী চেহেরা আল্লাহ পাক উনাকে জান্নাতের সর্বোচ্ছ মকান দান করুন, আমিন)।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব