1. admin@voicectg.com : admin :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ০৪:৪৪ অপরাহ্ন

খাসজমিতে প্লট দেখিয়ে ৩০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ অবশেষে আটক।

নিউজ ডেক্স
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২০
  • ১১৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেক্স
বৃহস্পতিবার-অক্টোবর-০১-২০২০,

খাসজমিতে প্লট দেখিয়ে ৩০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ অবশেষে আটক

খাস ও দখল করা জমি শুধু নয়, পানির নিচের জমিও স্বল্পমূল্যে বিক্রির জন্য সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে প্রচারণা চালিয়েছেন। স্বল্পমূল্যে প্লট দেয়ার কথা বলে প্লটপ্রতি পাঁচ লাখ টাকা হারে প্রায় পাঁচ হাজার চুক্তি করেছেন। রেজিস্ট্রেশন করে দেয়ার কথা বলে প্রত্যেক প্লটপ্রত্যাশীর কাছ থেকে নিয়েছেন ১২ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত। সব মিলিয়ে ৩০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন ইমাম হোসেন নাসিম (৬৬)।

শেষ পর্যন্ত রক্ষা হয়নি। গতকাল বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রূপনগর আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তার অপকর্মের সহযোগী তৃতীয় স্ত্রী হালিমা আক্তার সালমাসহ (৩২) নাসিমকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪ এর একটি দল।

এসময় তাদের কাছ থেকে একটি ৭.৬৫ মি.মি. বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, তিন রাউন্ড গুলি, এক লাখ ৩৫ হাজার জাল টাকা, ১ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা, দুই বোতল বিদেশি মদ, চারটি ওয়াকিটকি সেট, ছয়টি পাসপোর্ট, ৩৭টি ব্যাংক চেক এবং ৩২টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নাসিম ও সালমাকে গ্রেফতারের তথ্য তুলে ধরেন র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মোজাম্মেল হক।

তিনি জানান, নানা অভিযোগে দায়ের করা ৫৫টি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন নাসিম। গ্রেফতার এড়াতে আন্ডারগ্রাউন্ডে গোপন সুড়ঙ্গে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সম্বলিত দরজাযুক্ত অফিসে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।

নাসিমের উত্থানঃ

অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক বলেন, প্রতারক নাসিমের গ্রামের বাড়ি ভোলায়। দেশ স্বাধীন হওয়ার আগে তার বাবা বেলায়েত হোসেন গ্রাম্য ডাক্তার ছিলেন। পরে তাকে নিয়ে তার বাবা রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় চলে আসেন। এরপর নাসিম মিরপুর এলাকায় পড়ালেখা করেন। তিনি নিজেকে গ্রাজুয়েট দাবি করেন।

নাসিম ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত ঠিকাদারির কাজ করে এলেও ২০০২ সাল থেকে অভিনব প্রতারণামূলক কৌশলের মাধ্যমে নিজেকে কথিত নাসিম রিয়েল এস্টেট কোম্পানির মালিক পরিচয় দিতে থাকেন। এই পরিচয়ে সাইনবোর্ড টানিয়ে, ক্ষেত্রবিশেষে অস্ত্র প্রদর্শনপূর্বক ভয়ভীতি দেখিয়ে সাভারের কাউন্দিয়া এলাকায় অন্যের জমি, খাসজমি দখল করে আবাসিক শহর গড়ে দেয়ার নামে প্রায় পাঁচ হাজার সাধারণ মানুষের সাথে বায়না করে প্রত্যেকের কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা এবং ২৫০ জনের সঙ্গে ভুয়া চুক্তিপত্র করে প্রত্যেকের কাছ থেকে সাড়ে ১২ লাখ থেকে ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। এভাবে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি।

এর পাশাপাশি নাসিম ২০০৫ সাল থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে ভিন্ন ভিন্নভাবে মানুষের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ করতে থাকেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব