1. admin@voicectg.com : admin :
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন

২৫ মার্চ ৭১ ঢাবি’তে মুক্তিযুদ্ধ নয়, চাঁদাবাজি করতে গিয়ে মরেছে জাপর |

নিজস্ব প্রতিবেদক, ভয়েস সিটিজি
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২০
  • ৬২১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
বুধবার-অক্টোবর-০৭-২০২০,

২৫ মার্চ ৭১ ঢাবি’তে মুক্তিযুদ্ধ নয়, চাঁদাবাজি করতে গিয়ে মরেছে জাপর|

২৫ মার্চ ১৯৭১ কালো রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হলে(ঢাবি’র ছাত্র) পাকিস্তানি বাহিনীর প্রথম আক্রমনে নিহত ছাত্রনেতা কক্সবাজারের উখিয়ার সন্তান শহিদ জাপর আলম (সিএসপিকে) চাঁদাবাজি করতে গিয়ে মরেছে বলে উল্লেখ করেন উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী।

গত (৪অক্টোবর) উখিয়া সরকারি হাইস্কুলের হল রুমে উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের একাংশের সভাপতি কতৃক আয়োজিত জরুরি বর্ধিত সভায় বক্তৃতাকালে একথা বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা ইউনির্ভাসিটিতে জাপর কি মুক্তিযুদ্ধ করতে গেছিলো না চাঁদাবাজি করতে গেছিলো তা আমরাতো জানিনা, তিনি শহিদ জাপরের ছোটভাই উখিয়ার হলোদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাআলমকে উদ্দেশ্য করে বলেন গুন্ডামী করতে গেছিলো তোমার ভাই। তিনি কক্সবাজার ও উখিয়ার সরকারি স্হাপনাসহ সবকিছু জাপর আলমের নামে করা হচ্ছে উল্লেখ করে বলেন, এখানে কি আর কোন মুক্তিযুদ্ধা নাই।

এবিষয়ে আজ শহিদ জাপর আলমের পরিবার থেকে মামলা করারও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানাগেছে|
উল্লেখ্য শহিদ ছাত্রনেতা জাপর আলম(সিএসপি) তৎকালীন ছাত্রনেতা ও সাবেক মন্ত্রী জাতীয় নেতা তোফায়েল আহমেদের রাজনৈতিক সহকর্মী এবং কক্সবাজার জেলার মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহিদ, তার নামে সরকার রাষ্টীয় স্বীকৃতি ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের হল রুমসহ অনেক রাষ্টীয় স্হাপনা নামকরন করেন।

জানা যায় জনাব হামিদুল হক চৌধুরী, সরকারি চাকরির বিধিনিষেধ ভঙ্গকরে উখিয়া বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ পদ থেকে উপজেলা নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে পদত্যাগ করে। এবং উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি থাকাকালীন সময়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বাগিয়ে নিতে সক্ষম হলেও কিন্তু বিদ্রোহী প্রার্থী ঠেকাতে ব্যার্থ হামিদ,
এলাকা ও দলীয়ভাবে হয়ে যান কোনঠাসা,
একপর্যায়ে বিশাল অংকের লেনদেনে বিদ্রোহী প্রার্থীকে কব্জায় আনতে সক্ষম হলেও দলীয় সভাপতির পদ ছাড়তে হয় হামিদকে,

সেদিন মিত্র হিসেবে কাছে টেনে নেন শহিদ জাপর আলমের ছোটভাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও হলদিয়া পালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহা আলমকে, তাকেই ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করে,সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করে অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী, স্ব কৌশলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন উখিয়ার উপজেলা চেয়ারম্যান।

পরবর্তীতে আবারও সরব করেন হামিদ দলীয় ফোরামে উপস্থিতি, কিন্তু বিপত্তিবাধে গতমাসে যখন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ কতৃক তৃণমুলের নেতাকর্মীদের নিয়ে উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করেন।
চুটে যান হামিদ ঢাকায় আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডের সিনিয়র কিছু নেতৃবৃন্দকে বুঝাতেও সক্ষম হন, উখিয়ায় তার জনপ্রিয়তা এবং কমিটির বৈধতা ও প্রয়োজনীয়তা এখনও ফুরিয়ে যায়নি,ঢাকা থেকে একটা নির্দেশনাও নিয়ে আসলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের,এরপর চলতে থাকে কমিটি পাল্টা কমিটির বিভিন্ন সভাসমাবেশ।

এদিকে বেশ কয়েকমাস ধরে চলতে থাকা উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের পরিবার কেন্দ্রীক ও গ্রুপিংয়ের রাজনীতির পর্যবেক্ষণে দেখা যায় বাস্তবে উপজেলা চেয়ারম্যান হামিদুল হক চৌধুরীর সাথে উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন যুগ্ন সম্পাদক ও কয়েকজন ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি/সম্পাদক ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ছাত্র লীগের সভাপতিসহ বৃক্তিগত কয়কজন বিশ্বস্ত লোকজন ছাড়া, নেই উখিয়া উপজেলার প্রকৃত আওয়ামী পরিবার তথা তৃণমুলের ত্যাগী নেতাকর্মী

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব