1. admin@voicectg.com : admin :
বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ভাস্কর্য বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে বিপাকে হেফাজত | এবার যখন আমরা ধরবো, ফাইনাল হয়ে যাবে-পরশ | দ্রত সেবা নিশ্চিতে সিএমপিতে সংযুক্ত হলো ৪টি বিশেষ কার | চিম্বুকে ৫ তারকা হোটেল নির্মাণের প্রতিবাদে উত্তাল পার্বত্য ৩ জেলা | যুবলীগ যদি মাটে নামে ওস্তাদ দৌড়াইয়া কুল পাবেননা-চট্টগ্রামে নিক্সন চৌধুরী অবশেষে ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর আগামী সপ্তাহে শুরু | হাজী সেলিমের স্ত্রী গুলশান আরা মারা গেছেন | যুদ্ধাপরাধী জামাত হেফাজতের ব্যানারে একত্রিত হচ্ছে-শিক্ষা উপমন্ত্রী নওফেল | আমরা কোনভাবেই মহান নেতা বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে নয়, ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে | চার দিন ধরে নিখোঁজ রাঙ্গুনিয়ার সেই আকাশ শীল |

বান্দারবানে উপজাতিদের উচ্ছেদ করে বসতভিটায় ফাইভ স্টার হোটেল |

বান্দারবান প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১০ নভেম্বর, ২০২০
  • ৬৭ বার পড়া হয়েছে

বান্দারবান জেলার চিম্বুকে আদিবাসী ম্রোদের বসতভিটা দখলে নিযে ফাইভ স্টার হোটেল নির্মাণের পাঁয়তারা করতেছে সিকদার গ্রুপ। এনিয়ে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠতেছে পাহাড়।

একটি কল্যাণ সংস্থা ও সিকদার গ্রুপ কাপ্রু পাড়া থেকে নাইতং পাহাড় হয়ে জীবন নগর পর্যন্ত পাঁচ তারকা হোটেল এবং পর্যটন স্পট নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা যায়। এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান পাহাড়িরা।

এই স্থাপনা নির্মাণে সিকদার গ্রুপ প্রায় এক হাজার একর জুমের জমি দখলের চেষ্টা করছে, অভিযোগ করেন প্রতিবাদকারীরা।

তারা জানান, জুম ভূমি ছাড়াও সেখানে রয়েছে ম্রোদের বসতভিটা ও শ্মশান।

সিকদার গ্রুপের এই হোটেল নাইতং পাহাড়ে নির্মাণ হলে প্রত্যক্ষভাবে ম্রোদের চারটি পাড়া এবং পরোক্ষভাবে ৭০-১১৬টি পাড়া ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা।

পাঁচ তারকা এই হোটেল নির্মাণ হলে প্রায় ১০ হাজার জুমচাষি উদ্বাস্তু হওয়ার ঝুঁকিতে পরবেন বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

ক্ষতিগ্রস্ত ম্রোরা অবিলম্বে আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে পাঁচ তারকা হোটেলসহ নাইতং পাহাড়ে পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগকে স্থগিত রাখার আহ্বান জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে সিকদার গ্রুপের চিফ কো-অর্ডিনেটর ফরিদ উদ্দিন খানের দাবী পাহাড়ে আমরা কারও জায়গা দখল করিনি। আমরা বান্দরবান জেলা পরিষদকে আট শতাংশ শেয়ার দিয়ে জায়গাটি লিজ নিয়ে সেখানে পাঁচ তারকা হোটেল নির্মাণ করছি।’

তবে বান্দরবান জেলা পরিষদের কানুনগো মং শৈচিং চাক বলেন, ‘সিকদার গ্রুপের সঙ্গে জেলা পরিষদের এই ধরনের কোনো চুক্তি হয়নি।

জেলা শহর থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দূরে চিম্বুক পাহাড়ের অবস্থান। চম্বুক পাহাড় চূড়াতেই রয়েছে চিম্বুক পর্যটন কেন্দ্র। সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ২৫০০ ফুট উঁচু চিম্বুক পাহাড়ে যাওয়ার আঁকাবাঁকা রাস্তার দুই পাশের চমৎকার প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং সর্পিল সাঙ্গু নদীর সৌন্দর্য মনকে প্রশান্ত করে। পাহাড়ের সর্বোচ্চ উচ্চতায় দাঁড়িয়ে নৈস্বর্গিক প্রকৃতিক রূপের সুধা পান করতে করতে মেঘের ভেলা চেপে হারিয়ে যাওয়া যায় অপার্থিব জগতের গভীরে। আর বর্ষায় চিম্বুক পাহাড় থেকে সাজেকের মত দুরন্ত মেঘের উড়াউড়ি দেখা যায়, আর ভাগ্য ভাল হলে হাত বাড়িয়ে নেয়া যায় মেঘের স্পর্শ। এছাড়া চিম্বুক পাহাড়ে যাওয়ার পথে মিলনছড়ি ও শৈলপ্রপাত ঝর্ণা ঘুরে দেখতে পারবেন। আর নীলগিরি যেতে চাইলে নীলগিরি যাবার পথেই চিম্বুকের অবস্থান। চিম্বুক থেকে আরও ২০ কিলোমিটার সামনে গেলে নীলগিরি।
এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যেনো আরও বাড়িয়ে দেয় পাহাড়ের প্রান পাহাড়ের শেকর খ্যাত আদিবাসী উপজাতিদের ছোট ছোট বাঁশ আর পাহাড়ি বিভিন্ন পাতা দিয়ে তৈরি দ্বিতল কুড়ে ঘর গুলো,যেন প্রকৃতির আরেক সৃষ্টি, যাহা পাহাড়ের সৌন্দর্যকে আরো দিগুণ করেছে। তাদের ছাড়া কি পাহাড় ভ্রমণ চিন্তা করা যায়। আদিবাসী ম্রোদের রক্ষায় রাষ্ট্রের আরো সক্রিয় ভুমিকা কামনা সকলের।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব