1. admin@voicectg.com : প্রকাশক : প্রকাশক
বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন

কাপ্তাই রাস্তার মাথা সিএনজি ষ্টেশনে চাঁদাবাজি, পুলিশ, আ,লীগ-জামাত-বিএনপি একাকার

  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৪ মার্চ, ২০২১
  • ৭৭০ বার পড়া হয়েছে
1 0
Read Time:5 Minute, 54 Second

নিজস্ব প্রতিবেদক

কাপ্তাই রাস্তার মাথা যেন চাঁদাবাজির এক অভয়ারন্য, প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে অবৈধ টোকেনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে কাপ্তায় রাস্তার মাথা এলাকায় ওপেন চাঁদাবাজি চালাচ্ছে ঐ এলাকার একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট, এসব চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কথায় কথায় যাত্রীদের মারদর ও মহিলা যাত্রীদের যৌন হয়রানী নিত্যনৈমিত্তিক অভিযোগ।
তাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যাবসাও সেবনসহ বিভিন্ন অভিযোগ থাকলেও এ যেনো চট্টগ্রাম সিটিতে আরেকটা হোসেনের রাজ্য তাদের এসব অপরাধ দেখার কেউ নেই।
এ যেনো পুলিশ, এবং সরকারি দল আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল জামাত বিএনপি মিলে চাঁদাবাজির স্বার্থে একাকার।
অবৈধ এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা হচ্ছে রাঙ্গনিয়ার হোসেন ও হাসান দুই ভাই এবং তার সহযোগী জাফর।
প্রশাসন ও রাজনৈতিক টাওটদের ছত্রছায়ায় দিব্যি বেপরোয়া এই চাঁদাবাজরা।

আমাদের ভয়েজ সিটিজি প্রতিবেদন টিমের পক্ষ থেকে হোসেনের সাথে এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে সুইচঅপ করে দেন। তার ভাগিনা পরিচয়দানকারী ও লাইনের বাঁশিওয়ালার দায়িত্বে থাকা এক যুবকের কাছে জানতে চাইলো ভয়েস সিটিজি’র টিম তোমরা কিসের টাকা তুলো, কে বলছে তোমাদের টাকা তুলতে ঐ যুবক সরাসরি উত্তর দেয় পুলিশের টাকা।
পরবর্তীতে হোসেনের সহযোগী জাফরের সাথে যোগাযোগ করা হলে সে বলে এই লাইনের সাথে আমি আগে জড়িত ছিলাম কিন্তু এখন নাই। যতটুকু জানি র্তমানে লাইন চালায় মূলত হোসেনের সাথে মোহরা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী একনেতা।

এদিকে ভুক্তভোগী বিভিন্ন সিএনজি চালক ও মালিকদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, একটি গুল সিল লাগানো ষ্টীকার দেখতে হুবুহু সরকারি প্রাতিষ্ঠানিক সিলের মতো, প্রতিটি টোকেনের মূল্য ৮০০-১০০০ টাকা ১ মাস মেয়াদী,
রাস্তার মাথা থেকে রাঙ্গনিয়া এবং রাস্তার মাথা থেকে বোয়ালখালী পর্যন্ত যত সিএনজি আছে সব সিএনজি কে এই টোকেন নিতে বাধ্য করা হয় জোড় পূর্বক, মাসের শুরুতে এসেই গাড়ির সামনের গ্লাসে সেঁটে দিয়ে টাকা দাবী করে, টাকা দিতে অপারগ হলে গাড়ি আটকিয়ে রেখে মালিককে এনে টাকা আদায় করা হয়।

এছাড়াও প্রতিটি গাড়ি থেকে দৈনিক ১০/২০ টাকা করে তোলে হোসেনের ক্যাডার বাহিনী। টাকা দিতে একটু হেরপের হলেই চলে লাটির বারি,চরতাপ্পড় সহ ড্রাইভারদের শারীরিক নির্যাতন।

দেখা যায় মাসিক মাসোহারা ও দৈনিক উত্তোলনসহ সব মিলিয়ে এই দুই লাইন থেকে প্রতিমাসে ২৫-৩০ লক্ষ টাকা চাঁদা উত্তোলন করা হয় এই অবৈধ টোকেনের মাধ্যমে।
যার একটি বড় অংশ চলে যায় প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের কাছে।
অপর ভাগটি যায় সরকার ও বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক সিন্ডিকেটের কাছে।
তারপরের ভাগটি যায় কোন পদবীহীন শ্রমিক নেতা নামধারী চিহ্নিত চাঁদাবাজদের কাছে।
হোসেনের এই টাকা উত্তোলন এবং বন্টন ও বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছানোর দায়িত্ব আছে হোসেনের ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত জাহেদ ও হোসেনের ভাগিনা মেহেদী।
কাপ্তাই রাস্তার মাথা সিএনজি ষ্টেশন ও তার আশপাশের এলাকায় এই তিনজনের অত্যাচারের ভয়ে মুখ খুলেনা কেউ,
এই প্রতিবেদন তৈরী কালে চান্দগাও থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে কাপ্তাই রাস্তার মাথা সিএনজি ষ্টেশনে চাঁদাবাজির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে, তিনি বলেন কারা কারা জড়িত আমাকে তালিকা দিন, দ্রুত ব্যাবস্হা নেওয়া হবে বলে জানান।
ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগের উপ কমিশনার বদলীগত কারনে তাহার বক্তব্য নেওয়া যায়নি, দক্ষিণ বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনারের কাছে জানতে চাইলে তিনি কিছু জানেননা এবং কাপ্তাই রাস্তার মাথার দায়িত্ব উত্তর বিভাগের বলে জানান, তিনি আরও বলেন, কষ্ট করে একটু কমিশনার স্যারকে জানালে ভাল হবে বলে পরামর্শ দেন এই প্রতিবেদককে।

Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
33 %
Excited
Excited
0 %
Sleppy
Sleppy
0 %
Angry
Angry
67 %
Surprise
Surprise
0 %

সংবাদটি শেয়ার করুন

Average Rating

5 Star
0%
4 Star
0%
3 Star
0%
2 Star
0%
1 Star
0%

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Theme Customized By BreakingNews